2 Answers

0 votes
by
আমরা হয়তো ছোটবেলায় শুনে থাকবো যে, কোনো এক বিজ্ঞানী উলঙ্গ হয়ে "Eureka! Eureka!" বলে চিৎকার করেছিলো পুরো শহরে। কে সেই বিজ্ঞানী? তিনিই এই আর্কিমিডিস। পুরো গল্পটি জানা যাক।
সাইরাকিউস শহরের রাজা সেসময় হিয়েরো। রাজা হিয়েরো একটি মুকুট বানালেন এক স্বর্ণকারকে দিয়ে। স্বর্ণকারও রাজার হুকুমমতো স্বর্ণ দিয়ে একটি স্বর্ণের মুকুট বানিয়ে দিলেন। তবে মুকুট বানিয়ে নেয়ার পর রাজার মাথায় একটি চিন্তা আসলো। স্বর্ণকার আসলেই খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে মুকুট বানিয়েছিলো তো?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসকে আদেশ দেন রাজা হিয়েরো। বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের জন্য এটা খুবই সহজ একটি ব্যাপার ছিলো যদি পুরো মুকুটটিকে গলিয়ে স্বর্ণের আয়তন আর ভর নির্ণয় করার সুযোগ থাকতো। যদি এমন হতো, তবে ভরকে আয়তন দ্বারা ভাগ করে ঘণত্ব নির্ণয় করে সেই ঘণত্বের সাথে খাঁটি স্বর্ণের ঘণত্ব মিলিয়ে দেখলেও জানা হয়ে যেত মুকুটটি আসল স্বর্ণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কি না। তবে রাজার আদেশ ছিলো, "মুকুট গলানো যাবে না!"
না গলিয়ে আর্কিমিডিস কিভাবে এই কাজটি করবে তা ভেবে পাচ্ছিলো না। ভর তো সে নির্ণয় করতে পারবেই, তবে আয়তনও যে প্রয়োজন। কিন্তু স্বর্ণের আয়তন সে এখন কিভাবে নির্ণয় করবে মুকুটটিকে না গলিয়ে?
এই নিয়ে চিন্তা করতে করতেই একদিন গোসলের সময় এক অবাক কান্ড লক্ষ্য করলেন আর্কিমিডিস। দেখলেন তিনি পানিতে নামলে তার শরীর দ্বারা কিছু পরিমাণ পানি অপসারিত হচ্ছে। অর্থাৎ ব্যাপারটি হচ্ছে, একটি গ্লাসের মুখ পর্যন্ত পানি নিয়ে তাতে যদি একটি বল ডুবান তবে কিছু পানি উপচে বাইরে পরে যাবে। এই বাইরে পরে যাওয়া পানিটুকুই বল কর্তৃক অপসারিত হয়েছে। তেমনি আর্কিমিডিস দেখলেন তার শরীর দ্বারা কিছু পানি অপসারিত হচ্ছে। তখনই  এই নিয়ে গবেষণা শুরু করলেন আর্কিমিডিস।
আর্কিমিডিস আবিষ্কার করলেন যে পরিমান পানি অপসারিত হচ্ছে সেই পানির আয়তন তার শরীরের আয়তনের সমান। ব্যাস আবিষ্কার করে ফেললেন 'আর্কিমিডিসের নীতি'। তিনি দেখলেন কোনো বস্তুকে পানিতে রাখলে যে পরিমাণ পানি অপসারিত হয়, সেই পানির আয়তন আর ওই বস্তুর আয়তন সমান। এখান থেকেই তিনি মুকুটটিকে পানিতে রেখে অপসৃত পানির আয়তন মেপে সেটাকেই স্বর্ণের আয়তন হিসেবে নিয়ে রাজার দেয়া সমস্যার সমাধান করার সাথে আবিষ্কার করলেন নতুন এক নীতি যা আমাদের কাছে পরিচিত আর্কিমিডিসের নীতি নামে।
খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীর ঘটনা এটি।
0 votes
by
আমরা হয়তো ছোটবেলায় শুনে থাকবো যে, কোনো এক বিজ্ঞানী উলঙ্গ হয়ে "Eureka! Eureka!" বলে চিৎকার করেছিলো পুরো শহরে। কে সেই বিজ্ঞানী? তিনিই এই আর্কিমিডিস। পুরো গল্পটি জানা যাক। সাইরাকিউস শহরের রাজা সেসময় হিয়েরো। রাজা হিয়েরো একটি মুকুট বানালেন এক স্বর্ণকারকে দিয়ে। স্বর্ণকারও রাজার হুকুমমতো স্বর্ণ দিয়ে একটি স্বর্ণের মুকুট বানিয়ে দিলেন। তবে মুকুট বানিয়ে নেয়ার পর রাজার মাথায় একটি চিন্তা আসলো। স্বর্ণকার আসলেই খাঁটি স্বর্ণ দিয়ে মুকুট বানিয়েছিলো তো? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসকে আদেশ দেন রাজা হিয়েরো। বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের জন্য এটা খুবই সহজ একটি ব্যাপার ছিলো যদি পুরো মুকুটটিকে গলিয়ে স্বর্ণের আয়তন আর ভর নির্ণয় করার সুযোগ থাকতো। যদি এমন হতো, তবে ভরকে আয়তন দ্বারা ভাগ করে ঘণত্ব নির্ণয় করে সেই ঘণত্বের সাথে খাঁটি স্বর্ণের ঘণত্ব মিলিয়ে দেখলেও জানা হয়ে যেত মুকুটটি আসল স্বর্ণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে কি না। তবে রাজার আদেশ ছিলো, "মুকুট গলানো যাবে না!" না গলিয়ে আর্কিমিডিস কিভাবে এই কাজটি করবে তা ভেবে পাচ্ছিলো না। ভর তো সে নির্ণয় করতে পারবেই, তবে আয়তনও যে প্রয়োজন। কিন্তু স্বর্ণের আয়তন সে এখন কিভাবে নির্ণয় করবে মুকুটটিকে না গলিয়ে? এই নিয়ে চিন্তা করতে করতেই একদিন গোসলের সময় এক অবাক কান্ড লক্ষ্য করলেন আর্কিমিডিস। দেখলেন তিনি পানিতে নামলে তার শরীর দ্বারা কিছু পরিমাণ পানি অপসারিত হচ্ছে। অর্থাৎ ব্যাপারটি হচ্ছে, একটি গ্লাসের মুখ পর্যন্ত পানি নিয়ে তাতে যদি একটি বল ডুবান তবে কিছু পানি উপচে বাইরে পরে যাবে। এই বাইরে পরে যাওয়া পানিটুকুই বল কর্তৃক অপসারিত হয়েছে। তেমনি আর্কিমিডিস দেখলেন তার শরীর দ্বারা কিছু পানি অপসারিত হচ্ছে। তখনই এই নিয়ে গবেষণা শুরু করলেন আর্কিমিডিস।

Related questions

মনোভাব প্রকাশনী! আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন। সকলের মনোভাব প্রকাশের মাধ্যমে আমরা আমাদের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে পারি।
মনোভাব প্রকাশনী কি?
মনোভাব প্রকাশনী বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর এর ওয়েবসাইট।
আপনার মনের কৌতহল মনোভাব কে প্রকাশ করুন। প্রশ্ন করে মনোভাব প্রকাশ করুন। উত্তর দিয়া আপনার মনোভাব কে জানিয়ে দিন। সাহায্য করুন অপরের মনোভাবের জড়তাকে জাগ্রত করতে। শিখিয়ে দিন এতে আপনারই জ্ঞান বৃদ্ধিপাবে।
...